একদিকে মানুষের পুড়ে মরে ছাই হওয়ার অাহাজারী,অন্যদিকে অামাদের দেশবাসী ফুল দেওয়ার অানুষ্ঠানিকতায় ব্যস্ত।এই কেমন বিবেক মানুষের,রাষ্ট্রের।কারো কাছে কিছু জিজ্ঞাসা করলে একে অন্যের উপর দোষ চাপানো ছাড়া কিছুই পারে না।অারে ভাই অাপনি ঘুমাতে পারেন নাই তো কি হয়েছে,অাপনি যদি ঘুমাতে নাই পেরেছেন,অাপনি নিজেই এসে অাগুন নিয়ন্ত্রণে অানার চেষ্টা করতেন।তাহলেই জাতি অাপনাকে সারাজীবন স্মরণ রাখতো।মিডিয়ার সামনে অনেক কথায়তো বলেন,দেশপ্রেমিক,কচুপ্রেমিক অারো কতকিছু।যেদিনে মানুষ তার অাত্মীয়ের লাশের ছাই খুঁজতে ব্যস্ত সেইদিনে অামার ফুল দেওয়া অার সেমিনারের কি প্রয়োজন ছিল।অাবার মনে করিয়েন না অামি মাতৃভাষা দিবসের বিরুদ্ধে বলছি।অামি বলতে চাচ্ছি এইদিনটিকে উদযাপন না করে অাজকের জন্য কি অাহাজারী করা মা,ভাই,বোনদের পাশে দাঁড়ানো যেত না।বা,তাদের জন্য রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা যেত না।অামাদের রফিক,সালাম,বরকতরা কি ফুল পাওয়ার জন্য জীবন দিয়েছিল।তারা তাদের মাতৃভাষা কে ভালবাসে তাই জীবন দিয়েছে,অাপনিও তাদের মতো রাষ্ট্রীয় সম্মান রক্ষায় নেমে পড়ুন বা কাজ করুন।এখন অামাদের প্রয়োজন তাদের জন্য দোয়া করা।অামাদের নতুন প্রজন্ম তো ভাষা দিবসের ইতিহাসই জানে না।কেমনেই বা জানবে,১ম-১০ ম শ্রেণী পর্যন্ত সকল বইগুলোর দিকে থাকান কোন বইয়েই এই দিবসের কবিতা বা গল্প অাছে বলে অামার মনে হয় না।অাছে সব অাষাঢ়ে গল্প।
চলুন নিজের বিবেককে জাগ্রত করি,সচেতন হই,অন্যের দুঃখে কাঁদি,কারো ক্ষতি হলে পূরণ করার চেষ্টা করি,পাশে দাঁড়ায়,সমবেদনা জানাই।
অার কত ফুল নিয়ে অভিনয় করবেন,ইতিহাস জানেন,বিকৃত করা বাদ দেন।
চলুন নিজের বিবেককে জাগ্রত করি,সচেতন হই,অন্যের দুঃখে কাঁদি,কারো ক্ষতি হলে পূরণ করার চেষ্টা করি,পাশে দাঁড়ায়,সমবেদনা জানাই।
অার কত ফুল নিয়ে অভিনয় করবেন,ইতিহাস জানেন,বিকৃত করা বাদ দেন।












