জাতীয় কবিকে জেনে নিন

আজ ১১ জ্যৈষ্ঠ, শনিবার। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অন্যতম প্রাণপুরুষ, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিন।

মসজিদের হুজুরদের সরকারি বেতন দিতে হবে - ডাঃদীপু মনি

মসজিদের হুজুরদের যা বেতন তাতে রাতে যে মুসল্লিদের ঘরে চুরি করতে যায় না এটাই তো অস্টাশ্চার্য বিষয়

৫২ পণ্যে নিষেধাজ্ঞা

বাজার থেকে ৫২ পদের জিনিস ক্রয় করতে নিষেধাজ্ঞা এসেছে আদালত থেকে। কেউ আমার থেকে লিখিত নিয়ে যান, লিখে দিচ্ছি।

মা-বাবার করণীয়

সন্তানের প্রতি অাপনার (মা-বাবার) করণীয়ঃ ১. সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থা মায়ের উচিত অাল্লাহকে ভয় করা,সুসন্তান কামনা করা,নিজে অাল্লাহর হুকুম পালন করা।বেশী বেশী নামাজ ও কুরঅান পড়া ভলো।

অাপনার পছন্দের বাসটি বেঁচে নিন!

১. গ্রীন লাইন ২. দেশ ট্রাভেল্স ৩. হানিফ ৪. ইনা ৫. স্টার লাইন

Thursday, 21 February 2019

বিবেককে জাগ্রত করুন

একদিকে মানুষের পুড়ে মরে ছাই হওয়ার অাহাজারী,অন্যদিকে অামাদের দেশবাসী ফুল দেওয়ার অানুষ্ঠানিকতায় ব্যস্ত।এই কেমন বিবেক মানুষের,রাষ্ট্রের।কারো কাছে কিছু জিজ্ঞাসা করলে একে অন্যের উপর দোষ চাপানো ছাড়া কিছুই পারে না।অারে ভাই অাপনি ঘুমাতে পারেন নাই তো কি হয়েছে,অাপনি যদি ঘুমাতে নাই পেরেছেন,অাপনি নিজেই এসে অাগুন নিয়ন্ত্রণে অানার চেষ্টা করতেন।তাহলেই জাতি অাপনাকে সারাজীবন স্মরণ রাখতো।মিডিয়ার সামনে অনেক কথায়তো বলেন,দেশপ্রেমিক,কচুপ্রেমিক অারো কতকিছু।যেদিনে  মানুষ তার অাত্মীয়ের লাশের ছাই খুঁজতে ব্যস্ত সেইদিনে অামার ফুল দেওয়া অার সেমিনারের কি প্রয়োজন ছিল।অাবার মনে করিয়েন না অামি মাতৃভাষা দিবসের বিরুদ্ধে বলছি।অামি বলতে চাচ্ছি এইদিনটিকে উদযাপন না করে অাজকের জন্য কি অাহাজারী করা মা,ভাই,বোনদের পাশে দাঁড়ানো যেত না।বা,তাদের জন্য রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা যেত না।অামাদের রফিক,সালাম,বরকতরা কি ফুল পাওয়ার জন্য জীবন দিয়েছিল।তারা তাদের মাতৃভাষা কে ভালবাসে তাই জীবন দিয়েছে,অাপনিও তাদের মতো রাষ্ট্রীয় সম্মান রক্ষায় নেমে পড়ুন বা কাজ করুন।এখন অামাদের প্রয়োজন তাদের জন্য দোয়া করা।অামাদের নতুন প্রজন্ম তো ভাষা দিবসের ইতিহাসই জানে না।কেমনেই বা জানবে,১ম-১০ ম শ্রেণী পর্যন্ত সকল বইগুলোর দিকে থাকান কোন বইয়েই এই দিবসের কবিতা বা গল্প অাছে বলে অামার মনে হয় না।অাছে সব অাষাঢ়ে গল্প।
চলুন নিজের বিবেককে জাগ্রত করি,সচেতন হই,অন্যের দুঃখে কাঁদি,কারো ক্ষতি হলে পূরণ করার চেষ্টা করি,পাশে দাঁড়ায়,সমবেদনা জানাই।
অার কত ফুল নিয়ে অভিনয় করবেন,ইতিহাস জানেন,বিকৃত করা বাদ দেন।

Sunday, 28 October 2018

চিটাগাং ভাইকিংস এর প্লেয়ার তালিকা

দেশী প্লেয়ার:-
মুশফিকুর রাহিম
সাঞ্জামুল ইসলাম
অাশরাফুল
মোসাদ্দেক হোসেন
অাবু জাহেদ রাহি
রবিউল হক
নাঈম হাসান

বিদেশী প্লেয়ার:-
সিকান্দার রাজা
রবার্ট ফ্রানিক
অাহমেদ শেহজাদ
লুকি রঞ্চি
নাজিবুল্লাহ জর্ডান

Thursday, 25 October 2018

পেকুয়ার সন্তান নজরুল ইসলাম এখন উপসচিব

পেকুয়ার সন্তান নজরুল ইসলাম এখন উপসচিব
তাহমিদ অারমান:

মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম (এ,ডি,সি রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা)
উপসচিব পদে উন্নিত হয়েছেন।

তার বাড়ি পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের চ্যাপ্টামুরা এলাকায়। সে শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৩ সালে এস এস সি পাশ করেন।

উল্লেখ্য যে, এর আগে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সহ বিভিন্ন সরকারী পদে কর্মরত ছিলেন।

Wednesday, 10 October 2018

অান্তর্জাতিক কুরঅান তিলাওয়াত প্রতিযোগীতায় ১ম স্থান বাংলাদেশের

অান্তর্জাতিক কুরঅান তিলাওয়াত  প্রতিযোগীতায় ১ম স্থান বাংলাদেশের
তাহমিদ অারমান:

সৌদি আরবের মসজিদে নববীতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশের সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের ফেনাইকুনা গ্রামের কূতি ছাত্র হাফিজ হোসাইন আহমদ। গোয়াইনঘাট প্রবাসী সমাজকল্যাণ পরিষদ সহ বিভিন্ন মহলের অভিনন্দন, বর্ন্যাট্য সংবর্ধনা দেবে গোয়াইনঘাট প্রবাসী সমাজকল্যাণ পরিষদ এর ধর্ম বিষয়ক দপ্তর।

Saturday, 6 October 2018

ধ্বংসকারী মাদক

ফয়সাল তানভীর
প্রচার সম্পাদক
           মাদক মুক্ত সমাজ
***
ধ্বংসকারী মাদক
-----------******------------------
একটি সমাজ ধ্বংস করে
মাদক খাওয়ার দল
সমাজ ধ্বংসে কী লাভ পাস
একটু বুঝায় বল।
তোদের দেখে তরুণ-কিশোর
শিক্ষা কোনটা নিবে?
আগামীর ঐ ভবিষ্যৎটার
তারা কোন শিক্ষাটা দিবে?
তোমার দলের সব তরুণরা
অন্ধকারে ডুবে
মাদক খেয়ে সুখ খুজিলে
সুখটা কেমনে পাবে?
মাদক ছেড়ে জীবনটা গড়
ভবিষ্যৎ দারুণ হবে
তোমায় নিয়ে বাবা-মা'র স্বপ্ন
আলোয় ভরে রবে।

Wednesday, 3 October 2018

বিশ্বমানের হাসপাতাল তৈরি করেছে তুরস্ক,উদ্বোধন হচ্ছে শীঘ্রি

আগামী মাসে নিজের তৈরি করা বিশ্বের বৃহত্তম হাসপাতাল সকলের জন্য উন্মুক্ত করবেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট সুলতান এরদোগান।

তুরষ্কে নির্মিত হলো বিশ্বের সর্ববৃহৎ ৪১ হাজার শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, এতে রয়েছে ৩,০০০ এম্বুল্যান্স সার্বিস, ১৩ টি হেলিকপ্টার, ২০০০ অভিজ্ঞ ডাক্তার, ৪,০০০ নার্স এবং উন্নত মানের  তথ্য প্রযুক্তির দিক দিয়ে ও এটি বিশ্বের সেরা হাসপাতাল গুলোর একটি।

Tuesday, 2 October 2018

লংগদুর সন্তান,ড. অালী হুসাইন

রাঙ্গাঁমাটি পার্বত্য জেলার অন্তর্গত লংগদু উপজেলার কৃতি-সন্তান,বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও গবেষক,আন্তার্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগামের  কুর'আনিক সায়েন্স & ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নব নিযুক্ত বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. আলী হুসাইন স্যারকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরন করে নেন অত্র বিভাগের সম্মাণিত শিক্ষক মহোদয়গণ।

আজ দুপুর কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সেমিনার রুমে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মঈনউদ্দীন আল-আজহারী স্যারের সঞ্চালনায় ও বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ড. রশিদ জাহিদ স্যারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরিয়াহ অনুষদের সাবেক ডীন প্রফেসর ড. গিয়াস উদ্দিন হাফিজ স্যার।

আরো উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সম্মানিত শিক্ষক বৃন্দ  এবং ক্লাবের সাবেক বর্তমান প্রতিনিধিবৃন্দ।

Sunday, 30 September 2018

ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের বিশ্বজয়

ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের বিশ্বজয়
তাহমিদ অারমান:

ক্রোয়েশিয়া অনুষ্ঠিত ২৫তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় ৪৩টি দেশকে পিছনে ফেলে
৩য় স্থান অধিকার করেছে
বাংলাদেশের শিশু হাফেজ কুমিল্লার বরুরার সন্তান শিহাবুল্লাহ,
সে ক্বারী নাজমুল হাসান পরিচালিত
তাহফিজুল কুরআন ওয়াসসুন্নাহ মাদ্রাসার ছাত্র।

Saturday, 29 September 2018

ধুমপান ছাড়ুন,সুস্থ থাকুন

সিগারেট এ যুগের ফ্যাশন বলা যায়। সিগারেট খেলে স্মার্ট হয় আর না খেলে আন-স্মার্ট, এমনটাই ভাবে আজকাল অনেকে।

 বর্তমানে ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সবাই সিগারেট খাচ্ছে। আমরা যা ভেবেই সিগারেট খাই না কেন, এটা কিন্তু জানি যে সিগারেট মানুষের দেহের ক্ষতি করে। কিন্তু যা জানি না তা হলো ঠিক কীভাবে ক্ষতিটা করে। সিগারেট কাউকে একদিনে ধ্বংস করে দেয় না। বয়স হবার সাথে সাথে ধীরে ধীরে এর কুফল দেখা দিতে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিবছর প্রায় প্রায় ৫.৫ ট্রিলিয়ন সিগারেট তৈরি করা হয় আর প্রায় ১.১ বিলিয়ন মানুষ সিগারেট খায়। এর মধ্যে প্রতি ১০০ জনে এশিয়ায় প্রায় শতকরা ৪৪ ভাগ পুরুষ ও ৪ ভাগ মহিলা সিগারেট খান। ইউরোপে নারীদের সিগারেট খাওয়ার হার বেশি প্রায় শতকরা ৪৬ভাগ পুরুষ ও ২৬ ভাগ মহিলা। আমেরিকায় এটি প্রায় ৩৫ ও ২২ ভাগ। কিন্তু পশ্চিম মহাসাগরীয় অঞ্চলে সিগারেট মহামারির মত। প্রায় ৬০ ভাগ পুরুষ ও ৮ ভাগ নারী সিগারেটে আসক্ত।
মানবদেহে সিগারেটের ধ্বংসাত্মক পরিণতি-
১. সিগারেটের কারণে ফুসফুসে ক্যান্সার হয়। ২. হার্ট এটাক ও স্ট্রোক ঘটায়। ৩. ধমনীতে (করনারি আর্টারি) ব্লকেজ তৈরি করে। তখন এনজিওপ্লাস্টি করে আর্টারিতে রিং পরাতে হয়, এই রিং ১০ বছরের মতন থাকে। এরপর অবস্থার উন্নতি না হলে বাইপাস সার্জারি (ওপেন হার্ট) করানো ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। ৪.
দিনে ২০ টা সিগারেট খাওয়া স্মোকার প্রতি বছর প্রায় ১ কাপ পরিমান টার(আলকাতরা) ধোঁয়ার সাথে ভেতরে নেয়। এই টার ফুসফুসে ঝুল সৃষ্টি করে আবৃত করে রাখে। ৫. কার্বন মনোক্সাইড আমাদের পেশি, টিস্যু ও ব্রেনের অক্সিজেনকে নিঃশেষ করে দেয়। ফলে হার্টকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয় এসব টিস্যুকে অক্সিজেনেটেড রাখতে। ফলে একসময় দেহের বায়ু প্রবেশপথ ফুলে ওঠে ও শেষে দেখা যায় ফুসফুসে কম বাতাস প্রবেশ করে।
৬. সিগারেট ফুসফুসে ‘এমফাইসেমা’ সৃষ্টি করে। ‘এমফাইসেমা’ হলে ধীরে ধীরে ফুসফুস পঁচে যায়। ‘এমফাইসেমা’ রোগীর যখন তখন ব্রংকাইটিস হয়ে থাকে। যেকোনো সময় হার্ট কিংবা ফুসফুসের স্পন্দন বন্ধ করে দিতে পারে। ৭. গর্ভাবস্থায় স্মোকিং করলে ঘনঘন গর্ভপাত, জন্মের আগেই বাচ্চার মৃত্যু হতে পারে, আর বাচ্চার যদি জন্ম হয়ও দেখা যায় সেই বাচ্চা কম ওজন নিয়ে বা অপরিণত অবস্থায় জন্মগ্রহন করে। ৮. এছাড়া সিগারেট মুখে বাজে গন্ধ সৃষ্টি করে। দাঁতের ও মাড়ির ক্ষয় ঘটায়।
৯. সিগারেটের কারণে স্কিনে অক্সিজেন কম আসে, ফলে অল্প বয়সে বৃদ্ধদের মত রুক্ষ্ম ত্বকের সৃষ্টি হয়। এমনকি কম অক্সিজেনের কারণে অঙ্গে পঁচন দেখা দিলে শেষ পর্যন্ত তা কেটে ফেলা ছাড়া উপায় থাকে না। ১০. হাড়ের ক্ষয় ঘটায়। মেয়েদের ক্ষেত্রে এটি আরো মারাত্মক। কেননা মেয়েরা এমনিতেই অস্টিওপরেসিসে ভোগে বেশি, তার উপর ধুমপায়ী মেয়েরা ১০-১৫% বেশি এ রোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকিতে পড়ে। ১১. পাকস্থলীর ক্যান্সার বা আলসার, কিডনি, অগ্ন্যাশয়, ব্লাডারের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। সুতরাং দেখা যায়, স্মোকিং হল নিজেই নিজেকে ধীরে ধীরে অপমৃত্যুর দিকে এগিয়ে নেবার অপর নাম। তাই সচেতন হয়ে এখনি আমাদের সিগারেট ছেড়ে দিতে উদ্যোগী হতে হবে। আবার ঝোঁকের বশে হাজারবার হঠাৎ করে নয়, ধীরে ধীরে নিজের কল্যাণেই সিগারেট ছেড়ে বিশুদ্ধ খাবারের দিকে আমাদের দৃষ্টি ফিরিয়ে আনতে পারলেই সুস্থ জাতি হিসেবে আমাদের আগামীর যাত্রায় নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা হবে।
প্রচারে : মাদকমুক্ত সমাজ,বাংলাদেশ

বাবা হলেন তাসকিন

বাবা হলেন তাসকিন
তাহমিদ অারমান:

অাজ ছেলে সন্তানের বাবা হলেন তাসকিন।ঢাকার একটি মেডিকেলে তার স্ত্রী ও ছেলে ভর্তি অাছেন বলে জানা যায়।এছাড়া তারা দুইজনই সুস্থ অাছেন বলেও জানা গেছে।তাসকিন তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইচবুক পেজে এই খবরটি জানান দেন।গত বছর সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে বিয়ে করে বাংলাদেশ দলের পেসার তাসকিন অাহমেদ ও সৈয়দা রাবেয়া নাঈমা।

অাহত কর্মীদের প্রয়োজনে বিদেশে পাঠানো হবে

অাহত কর্মীদের প্রয়োজনে বিদেশে পাঠানো হবে,

অাহত স্কুল পড়ুয়া ও সাংবাদিকরা কি মরবে?
এদেশে যারা অাহত করতে যায় তারা চিকিৎসা পায়,অার যারা অাহত হয় তারা চিকিৎসার অভাবে মরে।কেন যে এইদেশে অামার জন্ম?
ছোটবেলায় বইয়ের পাতায় পাতায় যা পড়েছি তা কি সব মিথ্যা কিংবা মরিচিকা।তার কিছুইতো দেখছি না।এদেশে কেউ লুটে খায়,অার কেউ ফুটে যায়।টাকা,কয়লা,সোনা,পাথর বাতাসে উড়ায়।না,বুজতে হবে অাপনাকে এটা উন্নয়নশীল দেশ।যে দেশের নেতারা নিজের দেশকে খেতে না পাওয়া ইন্ডিয়া,নেপাল,মায়ানমারের মত চিন্তা করে।জাপান,জার্মান ও অামেরিকার মত উন্নত হওয়ার চিন্তা বাদ রাখে।অামরা এমন একটা জাতি যারা সবসময় নিচু হতে চায়,উচুঁ হতে চায় না।সবসময় অধীন থাকতে চায় স্বাধীন হতে চায় না।অামাদেরকে একসময় ব্রিটিশরা শাসন করেছে,এরপর পাকিস্তান,এখন ইন্ডিয়া অামরা অার স্বাধীনতা পেলাম কোথায়?অার এইভাবে অধীনই কি থেকে যাব সারা জীবন।এই চিন্তা বাদ দাও।স্বাধীন হওয়ার চিন্তা কর হে বাঙালী জাতি।গর্জে উঠো অাবার।
এবারের সংগ্রাম,
স্বাধীনতার সংগ্রাম।
এবারের সংগ্রাম,
পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে বের হওয়ার সংগ্রাম।

Friday, 28 September 2018

পেকুয়ায় জামায়াত আমির গ্রেফতার

পেকুয়ায় জামায়াত আমির গ্রেফতার

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ডাঃ আলী আকবরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত আলী আকবর সদর ইউনিয়নের বাইম্যাখালী এলাকার মৃত,গোলাম শরীফের ছেলে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছেন।

 (২৭ সেপ্টম্বর) বৃহষ্পতিবার গভীর রাতে টইটং ইউনিয়নের দুর্গম মধুখালী এলাকা থেকে পেকুয়া থানার এসআই সুমন সরকার তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে এসআই সুমন সরকার জানায় টইটং দুর্গম মধুখালী এলাকায় জামাত নেতা আলী আকবর আত্নগোপন রয়েছে এমন সংবাদ ছিল আমার কাছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করি। তার বিরুদ্ধে প্রতারনাসহ একাধিক মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে।

Friday, 21 September 2018

কওমী সনদের স্বীকৃতি আওয়ামীলীগের অবদান তবে!

কওমী সনদের স্বীকৃতি
আওয়ামীলীগের অবদান তবে!

আমার জন্ম স্বাধীন বাংলাদেশে ৷ বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ কিছুটা অনুভব করতে শিখেছি উনিশশ আশির দশক থেকে ৷ সেটা আমার শৈশবের সময় ৷ কোনো আলেম আওয়ামীলীগের প্রতি সমর্থন পোষণ করতে পারে, আমাদের দেখা তখনকার ঐ সময়ে এটা চিন্তারও অতীত ছিল ৷ এর পর দশক দশক করে প্রায় অর্ধ শতক সময় গড়িয়ে গেছে ৷ মানুষের চিন্তায়ও এসেছে অনেক পরিবর্তন ৷ আওয়ামীলীগকেও আলেমসমাজ থেকে বিচ্ছিন্নতার জন্য গুণতে হয়েছে অনেক মাশুল ৷ এক সময় আওয়ামীলীগ পরিবর্তন এনেছে তার চিন্তা-ধারায় ৷ ফলে দৃষ্টিভঙ্গিও বদলেছে অনেক আলেম-ওলামার ৷

ইসলামপন্থী কোনো দলের সাথে আওয়ামীলীগের সুসম্পর্ক স্বাধীনতা উত্তরকালে প্রথম দেখা যায় ১৯৯৬ এর তত্বাবধায়ক দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর সাথে যুগপৎ আন্দোলনের মাধ্যমে ৷ এর আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য আওয়ামীপ্রার্থীর গোলাম আযম সাহেবের বাসায় গিয়ে তার কদমবুচির ঘটনাও প্রত্যক্ষ করেছে বাংলাদেশের মানুষ ৷ এরপর ২০০৬এ শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক রাহিমাহুল্লাহর কাছে এসে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাথে পাঁচদফা চুক্তি স্বাক্ষর ছিল আওয়ামীলীগের ইতিহাসে ইসলামপন্থীদের সাথে সখ্যতা গড়ার সবচেয়ে বড় নযীর ৷ বামপন্থী মিডিয়া ও বহির্শক্তির চাপে শেষতক  আওয়ামীলীগ সেই চুক্তি থেকে পিছে হটলেও ক্ষমতায় এসে পাঁচদফার একাধিক দফা বাস্তবায়নে তৎপর হয় ৷

বৈধ ও অবৈধ মিলিয়ে টানা দশবছর ক্ষমতায় থাকাকালীন আওয়ামীলীগ ইসলামপন্থী ও আলেমসমাজের বেশ কয়েকটি দাবি পুরণ করেছে ৷ এই অবদানের কৃতিত্ব আওয়ামীলীগের ন্যায্য পাওনা ৷ আওয়ামীলীগ হাইকোর্টের ফতোয়া বিরোধী রায় বাতিল করিয়ে যেভাবে আলেমদের ফতোয়া প্রদানের অধিকার সংরক্ষণ করেছে, সে জন্য প্রশংসা করতেই হবে ৷ এরপর হেফাজতের আন্দোলনের মুখে পাঠ্যসূচির পরিবর্তন ও সুপ্রীমকোর্টের সম্মুখ থেকে থেমিসের মূর্তি স্থানান্তর আওয়ামীলীগের প্রতি সমীহজাগানিয়া বিষয় ৷ আর সর্বশেষ কওমী সনদের স্বীকৃতির দাবি পুরণে আওয়ামীলীগ ও প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার এ যাবৎকার ভূমিকাকে তো এক কথায় অবিস্মরণীয়ই বলা যায় ৷ মন্ত্রী ও আমলাদের মতামতকে উপেক্ষা করে ওলামায়ে কেরামের চাহিদামাফিক স্বীকৃতি প্রদান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একক এখতেয়ার ও কৃতিত্বের বিষয় ৷

এ সকল অবদানের পর আওয়ামীলীগ চাইছে ওলামায়ে কেরাম তাদের এই কৃতিত্বের স্বীকৃতি দিক এবং তাদের স্বপক্ষে মাঠে-ময়দানে কিছু ভূমিকা পালন করুক ৷ আওয়ামীলীগের এই চাওয়া মাত্রাতিরিক্ত কিছু নয় ৷ তবে ওলামায়ে কেরাম এক্ষেত্রে আবেগে ভেসে গেলে চলবে না ৷ তাদের ভূমিকা হওয়া উচিৎ সুচিন্তিত ও দায়িত্বশীল ৷ স্বীকৃতির দাবি পুরণের জন্য আমরা আওয়ামীলীগকে ধন্যবাদ জানাতে পারি ৷ তাই বলে তাদের দশবছরের অন্যান্য কার্যকলাপ ভুলে যেতে পারি না ৷ ভালোটুকুর জন্য যেমন ধন্যবাদ জানাতে কার্পণ্য করা যাবে না, তেমনি মন্দটার ধিক্কার জানাতেও কুণ্ঠিত হওয়া চলবে না ৷ হেফাজতে ইসলামের সাথে আওয়ামী আচরণের কথা নাইবা বললাম ৷ শাহাদাতের রক্তকে রঙমাখা নাটক আখ্যায়িত করার বেদনাও হয়ত ভুলে গেলাম আমাদের শিক্ষাকে মূল্যায়নের অপার আনন্দে ৷ তাই বলে আমরা কূপমন্ডক হতে পারি না ৷ কওমীর নিজস্ব ইস্যু ছাড়া দেশ-জাতির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোকে উপেক্ষা করে আলেমসমাজের দায়িত্ব পালন হতে পারে না ৷ নিরপেক্ষ নির্বাচনব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেশে হিংসা ও হানাহানির রাজনীতিকে যেভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে আওয়ামীলীগ, তাকে প্রশ্রয় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই ৷ আজ তারা ভয় পাচ্ছে, তারা ক্ষমতা হারালে লক্ষ লাশ পড়বে- এ লাশ পড়লে তার দায় তো তাদেরকেই নিতে হবে ৷ খুন,গুম ও হত্যার রাজনীতি বাংলাদেশে আগেও ছিল, তবে আওয়ামীলীগের চলতি আমলে তা সকল মাত্রা ছাড়িয়েছে ৷ বিচারিক হত্যাকান্ডের মাধ্যমে হত্যার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করেছে ৷ এভাবে মানুষের ন্যূনতম জীবনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে একটি নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে দেশকে ৷ একজন সচেতন ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসাবে এই বিষয়গুলো থেকে চোখ বন্ধ করে রাখা যায় না ৷

আওয়ামীলীগ চায় আলেমসমাজ তাদের অবদানের স্বীকৃতি দিক, তাদের স্বপক্ষে ভূমিকা রাখুক ৷  আলেমসমাজ তা রাখবে, কিন্তু তার আগে আওয়ামীলীগকে তার অন্যায়ের হাত গুটিয়ে নিতে হবে ৷ দেশকে স্বাধীনভাবে সামনে এগিয়ে যেতে দিতে হবে ৷ নাগরিকদেরকে ভোটাধিকার দিতে হবে ৷ শুধু কওমী স্বীকৃতি দিয়ে স্বীকৃতির অভনন্দন পাওয়া যাবে, কিন্তু পূর্ণাঙ্গ সমর্থন পেতে হলে জনগণের কল্যাণমুখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে ৷ এছাড়া আওয়ামীলীগের সাথে গাটছড়া বাঁধা গ্রহনযোগ্যতা পাবে না ৷

— শাইখুল হাদীস বিন শাইখুল হাদীস মাওঃ মামুনুল হক