অার এর সুবাদে যে জারজ সন্তানগুলো জন্ম নিয়েছিল সেগুলোকে ফিরাউন তার সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করে!
★★নারীরা কি নেতৃত্ব দিতে পারবে?
এই বিষয়ে কুরঅান যা বলেঃ
الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ
‘পুরুষরা নারীদের উপর ‘কাউআম’ (অভিভাবক, কর্তা)। এটা এজন্য যে, আল্লাহ তাআলা কতককে কতকের উপর ফজীলত দান করেছেন’। [সূরা নিসা ৩৪]
★★নারীদের কাজ কি হবে?
হাদীসের বর্ণনা অনুযায়ীঃ
المراة راعية على اهل بيت زوجها و ولده و هى مسئلة عنهم
‘একজন নারী হল তার স্বামীর ‘গৃহবাসী ও তার সন্তান-সন্ততির’ রক্ষনাবেক্ষনকারী। (এটাই তার জিম্মাদারী ও দায়িত্ব)। সে তাদের ব্যপারে জিজ্ঞাসীত হবে।’ [সহীহ বুখারী, হাদীস ৭১৩৮, ৮৯৩]
নারীদের যদি নেতৃত্ব দেওয়ার ইসলামে অনুমতি থাকত তাহলে,নারীদের ইমামতি করারও অনুমতি থাকত।
খোলাফায়ে রাশেদার যুগের কথা যদি অামরা চিন্তা করি ঐ সময়ে মহিলাদের মধ্য থেকে কেউ যদি অামীর হওয়ার সুযোগ থাকত হযরত অায়েশা (রাঃ) অামীর হতেন,তার স্মৃতি শক্তি,মেধা ও বিচক্ষণতা প্রখর ছিল।কিন্তু ইসলাম নারী নেতৃত্ব সমর্থন করে না।এককথায় না জায়েজ!
★★ যারা নারী নেতৃত্ব মেনে নিবে,তার কুফলঃ
لن يفلح قوم ولوا امرهم امراة –
‘ওই জাতি কখনই সফলতা অর্জন করতে পারবে না, যে জাতি তাদের বিষয়গুলোকে কোনো নারীর দায়িত্বে সোর্পদ করে দেয়’। [সহীহ বুখারী, হাদীস ৪৪২৫, ৭০৯৯]
অাল্লাহ অামাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুক।অামিন।








0 comments:
Post a Comment